কিছুদিন আগে আমি বেড়াতে গিয়েছিলাম, বাদামী থেকে বিজাপুর যাচ্ছিলাম ট্রেনে, অনেকটা রাস্তা জুড়ে বাঁ দিকে কৃষ্ণা নদী কে রেখে এগোতে হয়। কিশোর (আমার বর) ঘুমিয়ে পরেছিল আর আমি গান শুনছিলাম আর জালনা দিয়ে বাইরে তাকিয়েছিলাম। গানের কথাগুলো মনের মধ্যে অদ্ভুত একটা অনুভূতি তৈরি করছিল, খুব তীব্র... ভাবছিলাম আমি বরাবর এভাবেই কাউকে বলতে চেয়েছি... কিন্তু বলা হয়নি, কারণ কাকে বলবো খুঁজে পাইনি... অথচ আমি তো প্রেম করেছি ; তখনি বুঝলাম এই তীব্রতা কেবল নিজের সাথেই সম্ভব, নইলে তীব্রতার সৌন্দর্য হারিয়ে তা কেবল যৌনতা হয়ে যায় - শরীরে শরীর মিলে যায় কিন্তু শরীরের উপরে ওঠা যায় না। আসলে আর সমস্ত মানুষের মত আমিও আমার প্রেমেই পড়তে চেয়েছি, তাই খুঁজে বেরিয়েছি মানুষের পর মানুষ, যার মধ্যে আমি আমাকে খুঁজে পাবো। এক্ষেত্রে আমাদের আচরণ অনেকটা সেই কস্তুরী হরিণের মতই... নিজের আন্তর সৌন্দর্যে বুঁদ হয়ে তাকে খুঁজি বাইরে, আর সৌন্দর্যের উৎস কে উপলব্ধি না করতে পারা অব্দি পাকে পাকে জড়িয়ে ফেলি নিজেকে। এই নিজেকে খোঁজা টা একটা প্রয়াস, আর সেই প্রয়াসই বোধহয় ভালোবাসা... তাই ভালোবাসার পূর্ণতা কেবলমাত্র দেওয়ায়।
আর এই জন্যই ভালোবাসলে মানুষ এত সুন্দর আর অজেয় হয়ে যায়।
This comment has been removed by the author.
ReplyDelete