Saturday, 7 December 2013

Confusion.


I was very young when I read "Journal" by Shankho Ghosh.... the first article of it was "Muhurto" (Moment). I was moved by his description... a moment only exists in a moment . I tried to live my life in that way. Live every moment, feel it, because it will never come again..
Most probably this is the reason, when ever I got intimate to any person I always said myself, "Feel this intimacy at this very moment, don't expect it will remain forever"  but practically I tried my level best to retain the moment for ever and  here comes my confusion.... I feel low.
In a relation, may be a blood relation or not, how its possible that there will be no expectation????? And if there is expectation then how someone could live in moments.... I am really confused.

Monday, 29 April 2013

আমার ভালো থাকা - ২

শিশু কাল থেকেই আমরা পরিচিত হ'তে থাকি 'ভালোবাসা' শব্দটির সাথে। এই পরিচয় টা আসলে নিরবিচ্ছিন্ন একটা পদ্ধতি; প্রায়  প্রতিদিন নতূনভাবে উপলব্ধি করি এই শব্দটিকে, এর অনুভূতিকে,এর ব্যাপ্তিকে।
একটু আগে নিজের কথা ভাবতে গিয়ে অনুভব করলাম আমার জীবন আসলে ঘুরপাক খায় তিনটি শব্দ কে অবলম্বন করে, ভালোবাসা, জীবন (বোধ) আর সৃষ্টি ;  সৃষ্টি অর্থে কোন বিশাল কিছু, যেমন, কবিতা, নাটক, film কোন কিছুই না; খুব সাধারন আটপৌরে জীবন যাপন করে মানবিক সম্পর্ক সৃষ্টির স্বপ্ন, যার ভিত্তি শুধুই ভালোবাসা।
 এই ভালোবাসাই পাথেয় সমস্ত অকথিত কথা কে বুঝে নেবার; সমস্ত দুরত্ব কে অতিক্রম করবার, সর্বোপরি অপর জনের অবস্থানে নিজেকে রেখে তাকে অনুভব করবার... এর যে তৃপ্তি, আমি জানি না পৃথিবীর অন্য কোন অনুভূতি এর সমতূল্য কিনা; তবে এই তৃপ্তির জায়গা থেকেই আমি নিরন্তর ভালো থাকবার চেষ্টা করি আরও বেশী করে ভালোবাসবার জন্য।

Tuesday, 26 March 2013

আমার গল্প গুলো

হলুদ রঙা সকাল
বেড়ার পাশের সীমলতায় গোছা ধরা বেগুনি ফুল
ফসল কেটে নেবার পর কুয়াশা জড়ানো ধানের ক্ষেত
ভাঙ্গা দেওয়ালের উপর ফুটে থাকা পুটুস ফুল
গম্ভীর শালের জঙ্গলে পাতা কুড়োতে আসা তরুণী
তোমাদের সবার সাথেই জড়ানো রয়েছে আমার গল্প

তোমাদের বেঁচে থাকার তীব্রতায় আমিও বেঁচে থাকি...

আজকাল, আমার নিজের সাথে কাঁচের ঘরে রাখা
ফুলের খুব মিল পাই - ক্ষীণজীবী ও কৃত্রিম ।

Sunday, 24 March 2013

কেন?

জীবনে অনেকবার আসে আমরা নিজের কাছেই প্রশ্ন রাখি, 'আমার জীবনের উপর কি আমার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই? আমার কোনো একান্ত কোণ কি থাকতে পারেনা? যা শুধুই আমার; যেখানে আমি নগ্ন হতে পারি, আমাকে আমার মুখোমুখি বসাতে পারি কোন আড়াল ছাড়া, আমি স্বপ্ন দেখতে পারি আমার মত করে, যন্ত্রণা পেতে পারি, ভালোবাসতে পারি, সঠিক অর্থে যেখানে আমি ঠিক যা তাই প্রকাশ করতে পারি - কোনও মুখোশের দরকার হয়না যেখানে, নিজের বিবেক ছাড়া আর কারুর কাছে আমার কোন দায়বদ্ধতা নেই, কোন পাপ পূণ্য নেই, নেই পাশের মানুষ টি কে কষ্ট দেবার গ্লানি।'

নিজের মনের একান্ত কোণটুকু ছাড়া আর কোথাও আমি বা আমার ইচ্ছা - অনিচ্ছার কোনো জায়গা নেই... এটা ভেবে আসলে নিজেকে প্রবোধ দেই, সত্যি কি নিজের কাছেও আমার স্বাধীনতা আছে আমাকে আমার মত করে প্রকাশ করবার, এমন কি নিজের কাছেও? আমার কোন একান্তকেই একান্ত রাখার অধিকার আমার নেই... তাহলে আমি স্বার্থপর এবং অসুস্থ, অন্যদের কষ্টের কারণ... বাস্তবে আমি ভীষণ ভাবেই সামগ্রিক, "খোলা বইয়ের মত যার প্রতিটি পৃষ্ঠা, প্রতিটি লাইন যে কেউ পড়তে পারে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে... আমাকে বা আমার মানসিক অবস্থান কে যে এই সিধান্ত নেবার জন্য বুঝতেই হবে তার কোন বাধ্য বাধকতা নেই, এটা তাদের অধিকার... সমাজের যে বাধা রীতি বা নিয়ম তার থেকে একচুল এদিক ওদিক হলেই আমি সন্দেহজনক, কেউ সিদ্ধান্ত করবেন আমি ভালো, কেউ বলবেন খারাপ, তাদের চিন্তা অনুসারে আমার জায়গা নির্ধারিত হবে... এখানে আমার মতামত কোন মুল্যই রাখেনা, কোন অর্থেই আমি সাধারণ একজন মানুষ হতে পারি না, যার অধিকার আছে গ্লানিহীণ ভাবে বেঁচে থাকবার।

বেঁচে থাকার যে স্বপ্ন কে আমি লালন করি তার অস্তিত্ব এখন কেবল আমার কল্পনা (fantasy) তেই, তাকে বাস্তবায়িত করবার চেষ্টা করলেই বিপদ। আমার পরম প্রিয় পাশের মানুষটির কাছেও আমি নিজেকে ব্যাক্ত করতে পারিনা; যদি আমার ভিতর টা এতটুকুও প্রকাশিত হয়, আমার 'fantasy' কে বাস্তবায়িত করার পথে আমি এক পা'ও  হাঁটি তা নাকি বিশ্বাসঘাতকতার সামিল।
বিশ্বাস আর সম্পত্তিবোধ কি এক?
নিজের প্রতিচ্ছহবি কে খোঁজা, নিজের জন্য আমার মস্তিষ্কের গ্রে- ম্যাটারের একটু খানি রেখে দেওয়া কি সত্যিই পাপ??
কেন???? 

Thursday, 21 March 2013

জিলিপি

আমি লোক টা একদম জিলিপির মত সরল তাই হয়তো জিলিপি খেতেও এত ভালোবাসি; তবে প্যাত প্যাতে রক্তাল্পতায় ভোগা সাদাটে জিলিপি নয়, পুরুলিয়ার বিখ্যাত অমৃতি ।  পুরুলিয়ায় গেলে এটা জানাই থাকে যে একদিন সকালে জিলিপি আনা হবেই, তো এবার এত কম সময়ের জন্য গেলাম আর এত রকম ঝুট ঝামেলার মধ্যে ছিলাম যে সে আর হয়েই উঠছিল না। যাইহোক , আসার আগের দিন সকালে লাল্টুকে বললাম, ( না না আমার জন্য নয়... না হলে মায়ের মনে পরে খুব কষ্ট হত কিনা, পরের বার আমি না যাওয়া অব্দি বাড়িতে আর জিলিপির প্রবেশাধিকার বন্ধ হয়ে যেত , আমার মত নরম মনের মেয়ে এটা কি ঘটতে দিতে পারি?) "ভাই টি জিলিপি..." তা কি যে হল, হয়ত পাওয়াই গেলো না অথবা লাল্টু ভুলেই গেলো... সকালে জুন কে স্কুলে পৌঁছে ও বাড়ি ফিরল খালি হাতে। যাই হোক একটু পরেই ওর বাইকের পিছনে বসে গেলাম ওবাড়ি (মামাবাড়ি) মা (দিদিমা)র সাথে দেখা করতে, মা আমাকে মায়ের একটা শাড়ি (এটা পরেই মা লাস্ট দিন স্কুল করেছিল) আর জ্যোতির্ময়ী দেবীর লেখা একটি বই দিলেন; মায়ের সাথে গল্প হছিল আমাদের ছোটবেলা, মায়ের স্কুল, ছাত্র ছাত্রীরা, মায়ের ছোটবেলা, রংপুর কলেজ এইসব... মা তারপর গান শোনালেন... যথারীতি ফিরতে দেরী।
রাস্তায় বেড়িয়ে বললাম, "রাঁচি রোড দিয়ে ফিরবি লালভাই?" ও এককথাতেই রাজী হয়ে গেলো। এ'টা পুরুলিয়ার অন্যতম একটা প্রিয় রাস্তা আমার, ঝক ঝকে কালো পিচের রাস্তা আর দুপাশে ছায়া ছায়া পুরান গাছ, মুহূর্তে মনের  মধ্যে ভীড় করে আসে কত স্মৃতি। গভরমেন্ট গার্লস হাই স্কুল, আমার মাধ্যমিক আর উচ্চমাধ্যমিক দু'টি পরীক্ষার সিটই এখানে পড়েছিল। ওর পাশে দিদির বন্ধু শর্বাণী দিদিদের বাড়ি টা ভেঙ্গে কি যেন একটা বিশাল হাইরাইজ তৈরী হচ্ছে।"ইশ, পুরুলিয়া টাওএবার এই contractor দের হাতে চলে যাচ্ছে, কোত্থেকে যে এই ভুঁইফোড় শ্রেণীটার উতপত্তি হ'ল", মনে মনে ভাবছিলাম আমি, আসলে রাস্তায় দেখলাম, বিটি সরকার রোডে লাইব্রেরীর পাশে "রাধাকুঞ্জ" বাড়িটা ভেঙ্গে একটা বিশাল ফ্লাটবাড়ি তৈরী হয়েছে; মোটে ভালো লাগছিলো না। ছোটবেলায় কতদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে দেখেছি ওই বাড়িটার বিশাল গেটটার পাশের রকটায় বসে আছে পল্টুমামু, আমার তো অনেক বড় বয়স অব্দি ধারণা ছিল ওটাই ওদের বাড়ি।
রাঁচি রোড দিয়ে যেতে যেতে সার্কিট হাউসের (ছোটবেলায় আমার কেন যে ধারণা ছিল সার্কিট হাউসের সাথে ইলেক্ট্রিসিটির একটা যোগ আছে, মনে হয় ওই "সার্কিট" শদটির জন্যই) উল্টোদিকের মিষ্টির দোকানটায় দাঁড়ালো লাল্টু। আমরা গরম জিলিপি আর সেউভাজা কিনলাম। গরম লং ভাজছিলো, আগে হলে sure  কিনতাম - এখন মনে হ'ল, দুপুরবেলা এগুলো কে খাবে, খেলেই তো অ্যাসিড অবধারিত। বাইক টা ডি এম বাংলোর পাশ দিয়ে বাঁক ঘুরলো, মনে মনে ভাবছিলাম; ঠিক এভাবেই বোধহয় শৈশব কে দূরে ঠেলে দিই আমরা; আমাদের গায়ের থেকে হারিয়ে যায় শৈশবের চেনা রোদের গন্ধ, অচেনা ঠেকে মাটির সোন্দা গন্ধ, খেলা ঘর; পড়ে থাকে চেনা শহর, গ্রাম, প্রিয় রাস্তা, বুনোফুল, কাঁচ পোকা... আর আমরা সুখের খোঁজে উড়ান ভরি। এখন আমাদের পরিশীলিত চোখে পুরোন এই শহর টা পিছিয়ে পড়া আর শ্লথ, তবুও কেন বুকের মধ্যে রিণ রিণে একটা কষ্ট? 

Sunday, 10 March 2013

January 6th, 2013, 11:10 am

Train এ করে চলেছি, কোলকাতা থেকে ব্যাঙ্গালোরের পথে; আমার প্রিয় সাইড লোয়ার বার্থেই বসে আছি জালনা র বাইরে তাকিয়ে, জালনার বাইরের ছোট ছোট দৃশ্য আর ২৪ঘন্টার এ সি কামরায় জার্নির একঘেয়েমি বার বার ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে স্কুলের ছাত্রীটির কাছে।

ছোটবেলা থেকেই পড়া বই আর তার চরিত্রগুলোকে নিয়ে অদ্ভূত একটা জগতে বাস করতাম আমি, আসলে আজও তাই করি; মাঝে মাঝে ঘোর ভেঙ্গে যায় বুঝি বাস্তবটা অন্যরকম তবু নিজস্ব বিশ্বাস আর ঐ ভালোলাগার জগতটাতেই ঢুকে পড়ি আবার।

"তিমুর ও তার দলবল" যখন পড়ি তখন কি বিশ্বাস হয় যে আমি ওখানে নেই... কখনো হয়ে যাই ওলগা আর কখনো জিনিয়া, বাস্কেট বল কোর্টের ধুপ ধুপ শব্দ যেন আমার বুকেও বাজে। "পারীর পতন" এ দেনিস র বাড়ি ছাড়া, মিশো র দৃঢ় বিশ্বাস থেকে তো আজ আমি বিশ্লেষণ করতে শিখলাম নিজেকে। আমার রক্তে মিশে গিয়েছে এরা। বার বার বাইরে তাকিয়ে দেখছি ধানের খেত আর ফিরে যাচ্ছি সদ্য পড়া "পাকা ধানের গান" র গ্রামগুলোতে; এই চরিত্রগুলো, এদের সৃষ্টি কর্তা, তাদের চিন্তা আর আমার কল্পনা,  আমার আন্তরজগতকে  এতই পরিপূর্ণ রাখে যে কোন ক্লীন্নতাই এখানে জায়গা পায়না।

যাক সে সব কথা, বাস্তবে এখন পাটিসাপ্টা আর গোকুলপিঠের রেসিপি আর পদ্ধতি নিয়ে বিশাল ধুন্ধুমার চলছে। উফ, রান্না করতে কি করে এত ভালোবাসতে পারে মানুষ !এবার শুরু হল গয়না, তার ডিজাইন ... হে ভগবান, আমাকে সাক্ষী? সবাই তো  জানই আমি কাতদূর জংলী আর অশিক্ষিত! কানে এবার MP 3 player র কর্ড টা গুঁজে দিয়েছি; নিশ্চিন্ত।

একটু আগে হেলান দিয়ে মাথার উপর দু'টো হাত তুলে বসেছিলাম; অনুভব করতে পারছিলাম এরফলে  কামিজের পাশের কাটা অংশ টা দিয়ে হয়ত পেট আর কোমরের খানিকটা দেখা যাচ্ছে, তবুও ভ্রূক্ষেপহীন ভাবে বসেই ছিলাম (পর্দা টা টেনে নিলাম অল্প); কারণ মনে মনে পৌঁছে গিয়েছিলাম সেন্ট মাড়্গারেটস স্কুলের ক্লাস IV A তে; ক্লাসে গন্ডগোল করবার জন্য পুরো ক্লাস কে মাথায় হাত দিয়ে বেঞ্চের উপর দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন অঞ্জলিকা দি। আহা কি আনন্দ যে হয়েছিল আমার , মহা মজায় জালনা দিয়ে পাশে স্কটিশ চার্চ কলেজের ছাত্রছাত্রীদের কীর্তি কলাপ দেখছিলাম।

ক্লাস VIII, রেইনি ডে র আশায় ইচ্ছে করে বৃষ্টি ভেজার অপরাধে কান ধরে হাই বেঞ্চের উপর দাঁড়াতে হয়েছিল হোল ক্লাস কে, আর পাশেই ছিল ক্লাস V, সেদিন খুব বাজে লেগেছিল।

আমার ক্লাস VII আর বুনু V, একদম ছেলেমানুষ ছিল আমার বুনু টা, আমাকে ছেড়ে মোটে থাকতেই পারতোনা, টিফিনের পরে আলাদা হ'বার আগে পরস্পর কে জড়িয়ে ধরলাম আমরা; আর এই অভূতপূর্ব দৃশ্য টি চোখে পড়ল লাইব্রেরিয়ান গীতা দি'র; ব্যাস ব্যাবহারিক সভ্যতা সম্পর্কিত একখানি বক্তৃতা হজম করতে হ'ল। ফল স্বরূপ তারপর থেকে দিদিমনি পরিচিত হয়ে গেলেন "ব্যাবিলনীয় অসভ্যতা" নামে। আর এই কাজটিতে বিশেষ দড় ছিলাম আমি। এর'ম কত সুন্দর সুন্দর নামই না দিয়েছি আশেপাশে র মানুষ জনেদের; কিন্তু আমার ভালোমানুষ মার্কা চেহারাটির জন্য বরাবরই পার পেয়ে গিয়েছি আমি।কেউ ভাবতেই পারেনি যে এই ভালমানুষ চেহারার পিছনে এরকম তিলেখচ্চর একটি মেয়ে থাকতে পারে।

স্কুলে বাংলা টীচার কাবেরীদি অদ্ভূত ভালোবাসতেন আমায়, কেন কে জানে, মুখে কখনো কিছু বলতেন না; এক নম্বর ফাঁকিবাজ ছিলাম আমি, লেখা র সময় শুধু মনে রাখতাম মা'র কথাটা, "সাহিত্যের মূল  বিষয় হলো ভালোবাসা", ব্যাস ওই ভেঙ্গেই চলতো। জীবনে কোনদিন তো একটা রচনা পড়িই নি, পরীক্ষা র সময় সবচেয়ে সহজ রচনা টা কোনক্রমে লিখে হল ছেড়ে বে্রোতাম। একবার ক্লাসে কাবেরীদি লিখতে দিলেন "বইমেলা" রচনা টি, চুটিয়ে লিখলাম, বই + মেলা ; খুব ভালো লাগলো লিখতে।খাতা দেখে উনি তো খাতা ফেরত দিলেন। এবার ফাইনাল পরীক্ষায় দেখি আন্যান্য রচনার সাথে বইমেলা ও আছে। লিখলাম,খুব স্বাভাবিকভাবেই তা ক্লাসের লেখাটির মত হলোনা, কারণ ঐ লেখাটি লেখার পর তো আর দ্বিতীয়বার খাতা খুলে দেখিনি (আমি তো বিশাল দার্শনিক, ওসব পরীক্ষার নম্বর নিয়ে মাথা ঘামানো কি আর আমায় মানায়)। রেসাল্ট বেরোল; নতুন ক্লাস, ক্লাস নাইন, মানে নতুন শাড়ি, ব্যাপার ই আলাদা... একদিন কি এক কাজে টিচার্স কমন রুমে গিয়েছি, দিদিমনি আলাদা ক'রে ডেকে বললেন, "ভাস্বতী, পরীক্ষার খাতায় ক্লাসের লেখাটা লিখলে না কেন?' ভীষণ খারাপ লেগেছিল, দিদিমনি ও যে আমার থেকে কিছু চাইতে পারেন, আর আমি দেই নি, এই খারাপ লাগাটা ...
আমার ক্লাস VIII র বাংলা ক্লাস কপি টা আজ ও কাবেরীদি'র কাছেই আছে।




আমার ভাল থাকা

মাঝে মাঝে আমার ভীষণ ইচ্ছে করে নিজের ভিতর থেকে বেড়িয়ে আসতে। আমার নিজস্ব অনুভব, দৃষ্টি ভঙ্গি দিয়ে নিজেকে চিনে নিতে। আমার মধ্যের অনুভব করবার ক্ষমতা কে, খুব যত্ন নিয়ে যাকে লালন করি আমি, ভালবাসি আমি, গর্ব অনুভব করি। ছেলেমানুষ আমি ভাবতাম, অথবা এখনও ভাবি আমি অন্য কোনো মানুষ আমাকে দেখুক, জানুক - আমি যে চোখ দিয়ে নিজেকে দেখতে, জানতে, আঁকড়ে ধরতে চাই - আমাকে গ্রহণ করুক।

মানুষের পর মানুষ খোঁজ করেছি / করছি - পুরোটাই অবাস্তব।

হয়ত দু'টি মানুষের মধ্যে স্বার্থ হীন একটা সম্পর্ক - utopia; কিন্তু আমি বিশ্বাস করি এই utopia ও বাস্তবায়িত হওয়া সম্ভব।

-ঠিক এই জায়গা থেকেই অসম্ভব অতৃপ্ত আমি; সারা জীবনে সঠিক একটি সম্পর্কও গড়ে তুলতে পারলাম না । সমাজের নিয়মেই কিছু সামাজিক সম্পর্ক কে বহন করি আমি কিন্তু আমার চরম আকাঙ্খিত সেই সম্পর্ক ত এখনো দূর অস্ত। বাইরে থেকে দেখলে আমি কারুর মেয়ে, কারুর বোন, কারুর স্ত্রী, কারুর বন্ধু... ইত্যাদি... প্রতিটি সম্পর্ক র ক্ষেত্রে আমি সৎ,  কিন্তু আমি কিছুতেই তৃপ্ত নই। বাইরে থেকে আপাত ভাবে এই ভালো আর নিজের ভেতরের এই অতৃপ্তি, যে আমি আরো অনেক দিতে পারতাম... এর দ্বন্দ্ব প্রতি নিয়ত আমায় অস্থির রাখে, যন্ত্রণা দেয় আর আমি বিশ্বাস করতে চাই "আমি ভাল আছি" / "আমি খুব ভাল আছি"। প্রত্যেকবার এই কথাটি উচ্চারণ করবার সময় ভেতর থেকে আমূল কেঁপে উঠি। কিন্তু তবু নিজেকে চোখ ঠেরে আমার প্রিয়জনেদের খুব ভাল রাখতে চাই।